আলতাফ পারভেজের লেনিনের ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’, শত বছর পরের পাঠ, প্রশ্ন ও পর্যালোচনা। । আশানুর রহমান খোকন

হেলসিংকি। ফিনল্যান্ডের রাজধানী। শহরের যিনি পুলিশ প্রধান তার নাম গুস্তাভ রোভিও। চিন্তায় একজন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের পরই তিনি এখানকার পুলিশ প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন। পেত্রগ্রাদ পুলিশ ইতোমধ্যে লেনিনের নামে হুলিয়া জারি ও তাঁকে ধরিয়ে দিলে দুই লাখ রুবল পুরস্কার ঘোষণা করেছে। সে সময় ‘শটম্যান’ নামের একজন বলশেভিক কর্মী যিনি লেনিন ও জিনোভিয়েভের ফিনল্যান্ডের পলাতক জীবনের অন্যতম সাহায্যকারী, তিনি লেনিনের সাথে গভীর রাতে রোভিও’র বাসার খুব কাছেই তাঁদের একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করেন। বৈঠকটি খুব সংক্ষিপ্ত ছিল এবং দেখা গেলো লেনিন সেই পুলিশ প্রধানের সাথে পাশের এ্যাপার্টমেন্টের ৬তলায় রোভিও’র বাসায় যাচ্ছেন। পুলিশ প্রধানের স্ত্রী সেই সময় বাসায় ছিলেন না। বাসার আরাম কেদারায় বসে চা খেতে খেতে লেনিন যখন ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কার্যকারণ ব্যাখা করছিলেন, রোভিও তাঁর বক্তব্য শুনছিলেন একজন স্কুল ছাত্রের মতো। এক পর্যায়ে লেনিন রোভিওকে বললেন,

“যেহেতু পেত্রগ্রাদ থেকে এখানে সংবাদপত্র এসে পৌঁছায় সন্ধ্যায়, আপনি নিজ দায়িত্বে স্টেশন থেকে আমার জন্য পত্রিকা নিয়ে আসবেন এবং যেহেতু আমরা সরকারের ডাক বিভাগকে বিশ্বাস করি না, তাই আপনি আমার চিঠিপত্রগুলো আপনার নিজস্ব লোক মারফত পেত্রগ্রাদ ট্রেনের চিঠির বগিতে সেগুলো দিয়ে দেবার ব্যবস্থা করবেন।”

আরো কিছু নির্দেশ নিয়ে রোভিও গেলেন ঘুমাতে। তিনি চলে গেলে লেনিন তার স্বভাবগতভাবে টেবিলটা পরিস্কার করলেন, কাজে বসবেন বলে। সকালে ঘুম থেকে উঠে রোভিও দেখেন লেনিন তখনও ঘুমাচ্ছেন। টেবিলে একটি নীল রঙের নোটবুক। নোটবুকের উপরে লেখাঃ ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’। যে নোট বইটি তিনি সুইজারল্যান্ড থেকে বয়ে বেড়াচ্ছিলেন। এই নোট বইটির কথায় লেনিন চিঠিতে কামেনভকে জানিয়েছিলেন।

যে নোটবুকে লেনিন বইটি লেখেন সেটা এখনও আছে। সেই নোটবুকের এক জায়গায় তিনি মার্কসের লেখা ১৮৭১ সালের একটি চিঠি থেকে উদ্বৃতি লিখে রেখেছিলেন। যেখানে মার্কস বলেছেন, ‘প্রলেতারিয়েত শ্রেণী আমলাতান্ত্রিক সামরিক যন্ত্রকে ধ্বংস করবে এবং এটা জনগণের বিপ্লবের একটা প্রাথমিক শর্ত’।

এই উদ্বৃতির পাশেই মার্কসের চিঠিটিরও ছয় মাস আগে ফরাসী এক সমাজতন্ত্রীকে লেখা মিখাইল বাকুনিনের চিঠির উদ্বৃতিটুকুও লেনিন লিখে রেখেছিলেন। যেখানে বাকুনিন বলেছেন, “–সরকার ও প্রশাসনের সকল যন্ত্র চূর্ণ করার পর ফ্রান্স নিরাপদ হতে পারে কেবলমাত্র জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লবী কর্মে”।

আর উদ্বৃতির শেষে পরের পৃষ্ঠায় মার্জিনের ভিতর লেনিন লেখেন -‘বাকুনিন থেকে পাওয়া এক অসাধারণ তথ্য’।

এভাবেই আগস্ট ও সেপ্টেম্বর জুড়ে হেলসিংকি ও রিজলিভে বসে লেনিন বইটির ৬টি অনুচ্ছেদ শেষ করেন। আর ১১৫ পৃষ্ঠার সেই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯১৮ সালে। বইটির  পুরো নামে ‘State and Revolution, The Marxist Theory of the State & The Tasks of the Proletariat in the Revolution’।

সেই অর্থে এবছর বইটি প্রকাশের শত বছর পূর্ণ হচ্ছে। কোন একটি বইয়ের শত বছর পূর্তিতে সেই বইটির পুনর্পাঠ ও পর্যালোচনা নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং সেই কাজটিই বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের সামনে তুলে ধরেছেন মননশীল লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ। কাজটি তিনি ব্যক্তি পরিসরেই সীমাবদ্ধ না রেখে মার্কসীয় চিন্তা ঐতিহ্যে লেনিনের বইটির মৌলিকত্ব যেমন তুলে ধরেছেন একই সাথে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবোত্তর সমাজে লেনিনের রাষ্ট্রচিন্তার প্রয়োগ ও তার ফলাফলও পর্যালোচনা করেছেন নৈর্ব্যক্তিকভাবে। সব শেষে আলতাফ পারভেজ মানবমুক্তির প্রশ্নে জনগণের করণীয় কী হতে পারে সেই প্রশ্নটিকেই ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছেন। আলতাফ পারভেজের লেখা বইটির আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো বাংলাদেশে পরিবর্তনকামী রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে রাষ্ট্রচিন্তার সীমাবদ্ধতা এবং ক্ষেত্র বিশেষে অনুপস্থিতির ফলাফলের দিকে আঙুলি নির্দেশ করতে তিনি সক্ষম হয়েছেন। ফলে পাঠকরা বইটি পড়লে ‘রাষ্ট্র প্রশ্নে বোঝাপড়া ছাড়া রাজনৈতিক সাবালকত্ব দৃঢ়তা পায় না’ লেনিনের এই উক্তির যথার্থতাও খুঁজে পাবেন বলে বিশ্বাস করি।

পাঠকরা বইটি পড়লে ‘রাষ্ট্র প্রশ্নে বোঝাপড়া ছাড়া রাজনৈতিক সাবালকত্ব দৃঢ়তা পায় না’ লেনিনের এই উক্তির যথার্থতাও খুঁজে পাবেন বলে বিশ্বাস করি।

জনাব আলতাফ লেনিনের রাষ্ট্রচিন্তার সূত্র হিসাবে মার্কসের প্যারি কমিউন, এঙ্গেলসের ‘পরিবার, ব্যক্তি মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি’, তাঁদের যৌথভাবে লেখা ‘কমিউনিস্ট পার্টির ইশতেহার’কে যেমন উল্লেখ করেছেন একই সাথে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তৎকালীন রাশিয়ার পরিস্থিতি এবং রাশিয়ার বিপ্লবী আন্দোলনের অভিজ্ঞতার কথাও বলেছেন। তবে লেনিনের রাষ্ট্রচিন্তায় ১৯০৫ সালের ব্যর্থ বিপ্লবের যে অভিজ্ঞতা এবং জেনেভায় অবস্থানকালে ১৯১৭ সালে লেনিনের লেখা পাঁচটি চিঠি যাকে একত্রে ‘Letters from Afar’ বলা হয় সেই বিষয়টি জনাব আলতাফের পর্যালোচনায় গুরুত্ব পেলে লেনিনের রাষ্ট্রচিন্তার প্রেক্ষিত আলোচনাটা আরো পূর্ণতা পেত বলে মনে হয়। যেমনটা লেনিনের স্ত্রী নাজেদদা ক্রুপ্সকায়া তাঁর  ‘Reminiscences of Lenin’ বইয়ে উল্লেখ করেছিলেন যে, “লেনিনের ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ বইটির প্রেক্ষিত বুঝতে পাঠকদের ‘লেটারস্ ফ্রম আফার’ পড়াটা জরুরি”।

লেনিন প্রথম চারটি চিঠি লেখেন জেনেভাতে বসে মার্চের ২০-২৫ এর মধ্যে। ৫ম চিঠিটি অসমাপ্ত,  লেখেন সুইজারল্যান্ড থেকে দেশে ফেরার মুহুর্তে ৮ই এপ্রিল। মার্চের ৩ তারিখে তিনি আলেকজান্দ্রা কলোন্তাইকে লিখলেন, “আমি না পারছি কোন সভায় যোগ দিতে, না পারছি কোন বক্তব্যে রাখতে। এ জন্য আমি প্রাভদার জন্য প্রত্যেকদিন লিখবো।”

প্রথম চিঠি দুটো তিনি কলোন্তাইকে পাঠান মার্চের ২২ তারিখে পেত্রগ্রাদে পাঠাতে। চিঠি দুটো কলোন্তাই প্রাভদাকে পৌঁছে দেন পহেলা এপ্রিল। এপ্রিলের ৩ ও ৪ তারিখে যথাক্রমে ১৪ ও ১৫ নম্বর পৃষ্ঠায় প্রথম চিঠিটি ছাপানো হলো কিছু কিছু জায়গা বাদ দিয়ে। বাদ দেবার কারণ ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের পর ক্ষমতাসীন দলগুলোর চরিত্র বিশ্লেষণ করে লেনিন তাদের কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। ততদিনে প্রাভদার সম্পাদকমণ্ডলীর দায়িত্ব নিয়েছেন কামেনেভ ও স্ট্যালিন। যাঁরা তখন মেনশেভিক ও বলশেভিকদের ঐক্যের পক্ষে এবং একই সাথে সদ্য ক্ষমতায় আসা দলগুলোকে বিব্রত করতে চায়নি। লেনিনের লেখা চিঠিগুলো তাঁদের কাছে কিছুটা ‘হঠকারী’ মনে হয়েছিল। যে কারণে লেনিনের ২য়, ৩য় ও ৪র্থ পত্রগুলি ১৯১৭ সালে আর ছাপানো হয়নি। এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই লেনিন নাখোশ হন।

আলোচ্য বইটির লেখক জনাব আলতাফ বইটি লেখার কারণ হিসাবে বাংলাদেশের বনেদী একটি বামপন্থী দলের একটি শ্লোগানকে দৃষ্টান্ত হিসাবে তুলে ধরেছেন। দলটি বলে থাকে, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’। একটি রাষ্ট্র সবার হতে পারে কি? তাহলে রাষ্ট্র সম্পর্কে কমিউনিস্ট নামধারী দলটির দৃষ্টিভঙ্গি কী? এই প্রশ্নটি যেমন জনাব আলতাফের ঠিক তেমনি রাষ্ট্র প্রশ্নটি লেনিনের কাছেও জরুরি মনে হয়েছিল পূর্বাপর ঘটনা ছাড়াও বিশেষ একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে।

‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’। একটি রাষ্ট্র সবার হতে পারে কি?

লেনিনের লেখা  Letters from Afar এর চতুর্থ চিঠিটির শিরোনাম ছিল ‘কিভাবে শান্তি আসবে?’ চিঠিটি লেনিন লেখেন ১৯১৭ সালের মার্চের ২৪ তারিখ। ঐদিনই জার্মানী থেকে পাঠানো একটি টেলিগ্রাফ বার্তায় তিনি জানতে পারেন যে লেখক ম্যাক্সিম গোর্কি সুইডেন থেকে রাশিয়ার নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি চিঠি লিখেছেন। আর সেই চিঠিতে তিনি রাশিয়ার জনগণকে নতুন সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং নতুন সরকারকে অনুরোধ করেছেন শান্তি ফিরিয়ে আনতে। গোর্কির সেই চিঠিটি লেনিনকে এই পত্রটি লিখতে বাধ্য করেছিল। সেই পত্রে তিনি তাঁর লেখা  ‘Imperialism, the highest stage of Capitalism’ থেকে উদ্বৃতি দিয়ে সংক্ষেপে রাষ্ট্রের প্রকৃতি বুঝিয়েছিলেন এবং শান্তি প্রশ্নে যে সব দাবি ও কর্মসূচী তুলে ধরেছিলেন সেই সব দাবি ও কর্মসূচীগুলোকে তিনি বিস্তারিতরূপে তুলে ধরেন কয়েকমাস বাদে লেখা তাঁর ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ পুস্তকাটিতে।

লেনিন ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ বইটির ৬টি অনুচ্ছেদে যে বিষয়ে আলোকপাত করেছেন সেগুলোকে যথার্থভাবেই জনাব আলতাফ নিম্নোক্ত চারটি ভাগে ভাগ করেছেনঃ

এক। রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান হিসাবে রাষ্ট্রের প্রকৃতি;

দুই। ক্ষমতাসীন শ্রেণী বা গোষ্ঠী রাষ্ট্রকে কিভাবে ব্যবহার করে;

তিন। নিপীড়িত শ্রেণী কিভাবে বল প্রয়োগের মাধ্যমে পুরোনো রাষ্ট্রটি দখল করে এবং ক্রমশঃ সেই রাষ্ট্রকে শুকিয়ে মারে; এবং

চার। পুরোনো রাষ্ট্রটিকে শুকিয়ে মারতে নিপীড়িত শ্রেণী কী কর্মসূচী গ্রহণ করে।

লেনিনের বইটির উপরোক্ত বিষয়গুলোকে প্রথমভাগে ত্রিশটি প্রশ্ন ও পর্যালোচনা আকারে এবং দ্বিতীয়ভাগে আরো ছয়টি সম্পূরক প্রশ্ন ও পর্যালোচনারূপে জনাব আলতাফ তাঁর বইটিতে চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। তিনি শুরু করেছেন ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লবের মূল আলোচ্য বিষয় কী?’ এই প্রশ্নটি দিয়ে এবং শেষ করেছেন ‘লেনিনের রাষ্ট্র ধারনার আর কোন ভিন্নমত আছে কী?’ এই প্রশ্নটি দিয়ে।

পর্যালোচনা পর্বে তিনি রাষ্ট্রচিন্তার ইতিহাসে বিভিন্ন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর চিন্তাগুলোকে যেমন তুলে এনেছেন একই সাথে মার্কসীয় চিন্তার পক্ষে বা বিপক্ষের মতগুলিকেও বিশ্লেষণ করেছেন ক্ষুরধার যুক্তিতে। এই ছোট্ট বইটিতে জনাব আলতাফ মার্কসবাদী লেনিনের উপর হেগেলের রাষ্ট্রচিন্তার ছাপ আলোচনা করতেও বাদ রাখেননি। একই সাথে তিনি ১৯১৮ সালে লেনিনের বইয়ের সমালোচনা করে লেখা রোজা লুক্সেমবার্গের রাষ্ট্র ভাবনাকেও প্রাসঙ্গিকভাবেই তুলে এনেছেন।  একই সাথে রাষ্ট্র আলোচনায় লেনিনের Dilemma টা কোথায় সেটাও তুলে ধরেন প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে তার প্রয়োগের ফলাফল আলোচনার মধ্য দিয়ে। মার্কসীয় রাষ্ট্রচিন্তাকে তাত্বিক ও ব্যবহারিকভাবে কোন কোন চ্যালেঞ্জ মোকাবলা করতে হবে সে বিষয়েও তিনি পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে করতে সক্ষম হয়েছেন বলেই মনে করি।

জনাব আলতাফ উপসংহারে পরিবর্তে তাঁর বইটির সমাপ্তি টেনেছেন মার্কেসের নিন্মোক্ত উদ্বৃতিটি দিয়ে, ‘যে রাষ্ট্রটিকে সমাজের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে সেই রাষ্ট্রকে সমাজের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসাই হলো মুক্তি’।

 

তাই যদি হয় তাহলে মুক্তির উপায় কী?

আলতাফ পারভেজ তাঁর ৭৯ পৃষ্ঠার এই বইটিতে অসংখ্য প্রশ্ন তুলে ও পর্যালোচনা করে শেষ পর্যন্ত পাঠকদের মনে উক্ত প্রশ্নটি দারুণভাবে গেঁথে দিতে সক্ষম হবেন বলেই আমার ধারনা । লেনিনের ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ বইটির এমন ক্রিটিক্যাল পাঠ ছাড়া এবং উত্তাপিত প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়া শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর কোন দেশেই মানবমুক্তির আন্দোলন সফল হবে কী?

রাষ্ট্রচিন্তার মত একটি জটিল ও কঠিন বিষয়কে এমন সরলভাবে এবং প্রাঞ্জল ভাষায় পাঠকদের সামনে তুলে ধরায় আলতাফ পারভেজকে আন্তরিক অভিনন্দন

Facebook Comments

comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

scroll to top