নির্বাচিত বই ।। আরোপিত এই নগরে ।। বিনয় দত্ত

আরোপিত এই নগরে
লেখক: বিনয় দত্ত
প্রচ্ছদ: সারাজাত সৌম
ধরণ: সমকালীন কথনমালা
প্রকাশক: পুথিনিলয়
প্যাভিলিয়ন: ২ (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)
বিশদ: ৯টি বিষয়ের উপর ১৬টি সমকালের বিষয় / ঘটনার উপর জনপ্রিয় কথনমালা (পত্রিকায় প্রকাশিত)

বই সম্পর্কে
“আরোপিত এই নগরে” বইটি গল্প, উপন্যাস বা শক্তপোক্ত প্রবন্ধের বই নয়। এটিতে মূলত আমি গত এক -দেড় বছর সময়ের কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনাকে আয়েশী ঢঙে জানানোর চেষ্টা করেছি। বইটিকে সমকালীন কথনমালার গ্রন্থ বললে ভুল বলা হবে না।
ঘটনাগুলো খুবই গম্ভীর, গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কিন্তু আমি সহজ সরলভাবে, গল্প বলার ছলে তুলে ধরেছি। যেহেতু আমি গল্পের মানুষ তাই গল্প বলাটাই ছিল মুখ্য। গল্প বলতে বলতে আমি বাস্তবতার বর্ণনা দিয়েছি। ঘটনা জানানোর পাশাপাশি আরেকটি কাজ করেছি, তা হলো মনুষ্য বোধের দরজায় ধাক্কা দিয়েছি। কাজটি আমি সচেতনভাবেই করেছি। যাতে সু-বোধ জেগে উঠে।
বইটি মূলত সময়ের দলিল। আর সময়ের কথা সময়েই বলতে হয়। তাই আমি সময়ের মধ্যেই, প্রকাশিত লেখাগুলো পাঠকদের অনুরোধে বই প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছি।

লেখক পরিচিতি 


বিনয় দত্ত
জন্ম: ২০ ফেব্রুয়ারি। নন্দনকানন, চট্টগ্রাম। বাবা অনিমেষ চন্দ্র দত্ত ও মা মিনু দাশ। শিক্ষা: বিএসসি, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং।
সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড: সদস্য ও পরবর্তীতে কার্যকরী সংগঠক, ‘জলসিঁড়ি খেলাঘর আসর’, চট্টগ্রাম। তবলা প্রশিক্ষণ, ‘আর্য্য সঙ্গীত সমিতি’, চট্টগ্রাম। সাংস্কৃতিক সদস্য, ‘বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন’, কোতোয়ালী থানা, চট্টগ্রাম। আবৃত্তি, ‘বোধন আবৃত্তি সংগঠন’, চট্টগ্রাম। থিয়েটার, ‘বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল’, ঢাকা। রবীন্দ্রসঙ্গীতে প্রশিক্ষণ ও পরবর্তীতে কর্মনিষ্ঠ কর্মী, ‘ছায়ানট সঙ্গীত বিদ্যায়তন’, ঢাকা।
লেখালেখির সূত্রপাত ছেলেবেলাতেই। ২০০৫ সাল থেকে লেখক হিসেবে নিজেকে তৈরি করার লক্ষ্যে সক্রিয় সাহিত্যচর্চা শুরু।
লেখালেখি: গল্প, কবিতা, উপন্যাস, নাটক, চিত্রনাট্য, মুক্তগদ্য।
সমসাময়িক বিষয়ে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে লেখালেখি করেন।
জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটকঃ ‘কাগজের ক্যামেরা’, ‘ফিল্মি বাড়ি’ ও ‘আমাকে একটা গল্প দিবেন প্লিজ
গল্পগ্রন্থ: ‘চিলতে মেঘ ও কুহুকেকার গল্প’
উপন্যাস: ‘অমৃতায়ন’
সমকালীন কথনমালা: ‘এই শহর সুবোধদের’
পেশা: গবেষণা ও সাংবাদিকতা
পরিচয়: সহজ গল্পের ফেরিওয়ালা
স্বীকৃতি: ‘দিগন্তধারা সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮’ “অমৃতায়ন” উপন্যাসের জন্য।

 

Facebook Comments

comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

scroll to top